জামালপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের দায়ে স্বামীর কারাদণ্ড

জামালপুর প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ৭ ঘণ্টা আগে | আপডেট: ৭ ঘণ্টা আগে |   

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের দায়ে এক ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে বৃহঃ বার (২৪ সেপ্টেম্বব) তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। সেই সাথে আদালত তাকে এক লাখ টাকা জরিমানাও করেছেন এবং এই জরিমানার টাকা স্ত্রী মোছাঃ কারুন্নাহার পাবেন মর্মে তিনি আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. ফজলুল হক (৩৮)।  তিনি জামালপুর সদর উপজেলার শংকরপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. মোজাম্মেল হকের ছেলে।

সরকার পক্ষের আইনজীবি পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. ফজলুল হক জানায়, প্রায় ১৩ বছর আগে জামালপুর সদর উপজেলার গাজারিয়া গ্রামের মনসুর আলীর মেয়ে কামরুন্নাহারের (৩৪) সাথে মো. ফজলুল হক ওরফে ফজল মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ফজলুল হক যৌতুক হিসেবে কামরুন্নাহারের বাবা-মায়ের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী গ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তীতে আরও দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে তিনি স্ত্রীকে নির্যাতন করতে থাকেন। সেই দাবি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ফজলুল তাকে নির্মমভাবে মারধর করেন। এ সময় তাদের ১১ বছর বয়সী ছেলে ইমনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় স্ত্রী মোছাঃ কারুন্নাহার বাদী হয়ে জামালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ফজলুল হকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম রাষ্ট্রপক্ষের ৭ জন সাক্ষী ও অন্যান্য নথিপত্র পর্যালোচনা করে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং তার অনুপস্থিতিতেই এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।


মন্তব্য লিখুন :


আরও পড়ুন