জামালপুরে অপহরণের দায়ে দুই নাবালকের ১০ বছরের আটকাদেশ
এক নাবালিকা স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের দায়ে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বুধবার (১২ আগষ্ট) দুই নাবালককে তাদের অনুপস্থিতিতে দোষী সাব্যস্ত করে দশ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন। দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরা হলেন, জেলার জামালপুর সদর উপজেলার চর গজারিয়া নামাপাড়া গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে মো. শৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসান (২২) এবং একই গ্রামের আক্তারুজ্জামানের ছেলে মো. আসাদ মিয়া (২০)। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো: ফজলুল হক পি,পি সাংবাদিকদের জানায়, মো. শৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। মেয়েটি রাজি না হওয়ায় সে তার বাবা-মাকে মেয়েটির বিয়ের প্রস্তাব দেয়। মেয়েটির অভিভাবক বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, মো. শৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসান ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর বিকেলে সেই মেয়েটি স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় মেয়েটিকে অপহরণ করে। ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন নিবারণ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি পরীক্ষা করার পর আসামী মো. শৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসানকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন এবং বিচারক একই মামলায় মো. শৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসানকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৭(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে আরও ১০ বছরের আটকাদেশ দেন এবং অপর আসামী মো. আসাদ মিয়াকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭/৩০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন। আরও আদেশ হয় যে আসামীগণ পলাতক থাকায় তারা যে তারিখে ধরা পরবে বা পুলিশের হেফাজতে আসবে সেদিন এই আদেশ কার্যকরী হবে। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো: ফজলুল হক পি.পি. ও আাসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন, অ্যাডভোকেট মাহফুজা সুলতানা সাথী।

